Skip to content

অভিষেক (কবিতা) – মধুসূদন দত্ত SAQ

১. ‘রক্ষঃ-চূড়ামণি’ কাকে বলা হয়েছে এবং কেন?
উত্তর: ইন্দ্রজিতকে। কারণ তিনি রাক্ষসকুলের শ্রেষ্ঠ বীর বা শিরোমণি।

২. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর প্রথম সর্গের নাম কী?
উত্তর: ‘অভিষেক’।

৩. প্রমীলা কে?
উত্তর: ইন্দ্রজিতের পত্নী, এক শক্তিময়ী নারী।

৪. ‘যূথনাথ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: হাতিদের দলপতি।

৫. বীরবাহু কে ছিলেন?
উত্তর: রাবণ ও গন্ধর্বতনয়া চিত্রাঙ্গদার পুত্র এবং ইন্দ্রজিতের বৈমাত্রেয় ভাই।

৬. ‘হৈমবতীসুত’ কে এবং তিনি কী করেছিলেন?
উত্তর: তিনি হলেন কার্তিকেয়। তিনি মহাবলশালী তারকাসুরকে বধ করেছিলেন।

৭. ‘শমীবৃক্ষমূলে’ কথাটির মধ্যে কোন কাহিনির ইঙ্গিত আছে?
উত্তর: অর্জুনের শমীবৃক্ষের নিচে নিজের অস্ত্র গোপন করে রাখা এবং বিরাট রাজ্যের গোধন উদ্ধারের কাহিনির ইঙ্গিত।

৮. ‘শিঞ্জিনী আকর্ষি রোষে’—’শিঞ্জিনী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ধনুকের ছিলা বা গুণ।

৯. ইন্দ্রজিতের স্বর্ণলঙ্কায় যাওয়ার পথে কে তাঁর পথ রোধ করলেন?
উত্তর: তাঁর পত্নী প্রমীলা।

১০. ‘প্রণমিয়া, ধাত্রীর চরণে’—এখানে ‘ধাত্রী’ আসলে কে?
উত্তর: দেবী লক্ষ্মী, যিনি প্রভাষার ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

১১. প্রমীলা কেন নিজেকে ‘অভাগী’ বললেন?
উত্তর: স্বামীর সঙ্গ ত্যাগ করে তিনি যুদ্ধে যাচ্ছেন, এই বিচ্ছেদ যন্ত্রণায়।

১২. ইন্দ্রজিতের ধনুকের টঙ্কারে কী কী স্পন্দিত হল?
উত্তর: লঙ্কা এবং সমুদ্র (জলধি) কেঁপে উঠল।

১৩. ‘সাজিলা রথীন্দ্রর্ষভ বীর-আভরণে’—’রথীন্দ্রর্ষভ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: শ্রেষ্ঠ রথী ইন্দ্রজিতকে।

১৪. ইন্দ্রজিৎ নামটি তিনি কীভাবে পেয়েছিলেন?
উত্তর: দেবরাজ ইন্দ্রকে জয় করেছিলেন বলে তিনি ‘ইন্দ্রজিৎ’ নাম গ্রহণ করেন।

১৫. লক্ষ্মীদেবীকে কী কী বিশেষণে ভূষিত করা হয়েছে?
উত্তর: ‘রত্নাকর’ ও ‘রত্নোত্তমা’ বিশেষণে।

১৬. ‘হা ধিক্ মোরে!’—ইন্দ্রজিৎ কেন নিজেকে ধিক্কার দিয়েছেন?
উত্তর: শত্রুপক্ষ লঙ্কা ঘেরাও করছে, ভাই নিহত হয়েছেন, পিতা যুদ্ধে যাচ্ছেন—এমন সময় তিনি প্রমোদকাননে নারীদের মাঝে থাকায় নিজেকে ধিক্কার দেন।

১৭. ‘অম্বুরাশি-সুতা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: দেবী লক্ষ্মীকে।

১৮. ‘রক্ষ রক্ষঃকুলমান’—কে, কাকে এই কথা বলেছেন?
উত্তর: ছদ্মবেশী দেবী লক্ষ্মী ইন্দ্রজিতকে রাক্ষসকুলের মান রক্ষার জন্য এই কথা বলেছেন।

১৯. ছদ্মবেশী লক্ষ্মী ইন্দ্রজিতের কাছে কী সংবাদ দেন?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যু এবং রাবণের যুদ্ধযাত্রার সংবাদ দেন।

২০. ‘তব শরে মরিয়া বাঁচিল’—কার শরেই বা কে মরে বেঁচে উঠেছিল?
উত্তর: ইন্দ্রজিতের শরেই রামচন্দ্র মরে বেঁচে উঠেছিলেন (সঞ্জীবনী মন্ত্রে)।

২১. ‘কুম্ভকর্ণ বলী’—কুম্ভকর্ণ কে ছিলেন?
উত্তর: রাবণের মধ্যম ভ্রাতা, যিনি ছয় মাস অন্তর একবার জাগতেন এবং প্রচুর ভক্ষণ করতেন।

২২. বিদায়ের সময় ইন্দ্রজিৎ প্রমীলাকে কী কী সম্বোধনে ডাকলেন?
উত্তর: ‘সতী’, ‘কল্যাণী’ ও ‘বিধুমুখী’।

২৩. ‘মহাশোকী রাক্ষসাধিপতি’ কাকে বলা হয়েছে?
উত্তর: পুত্র বীরবাহুর মৃত্যুতে শোকাকুল লঙ্কাপতি রাবণকে।

২৪. ‘উঠিল পবন-পথে, ঘোরতর রবে, রথবর’—’রথবর’ কে?
উত্তর: ইন্দ্রজিৎ।

২৫. ‘তবে কেন তুমি, গুণনিধি’—কে, কাকে ‘গুণনিধি’ বলেছেন?
উত্তর: প্রমীলা তাঁর স্বামী ইন্দ্রজিতকে ‘গুণনিধি’ বলেছেন।

২৬. ‘জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া’—মহাবাহু কে এবং তিনি কেন বিস্মিত হলেন?
উত্তর: মহাবাহু হলেন ইন্দ্রজিৎ। তিনি বিস্মিত হন এই ভেবে যে, তিনি যাকে রাত্রিযুদ্ধে সংহার করেছেন বলে ভাবছিলেন, সেই রামচন্দ্রের হাতেই তাঁর ভাই বীরবাহু কীভাবে মারা গেল।

২৭. ‘অভিষেক’ রচনাংশটিতে কার অভিষেকের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: রক্ষরাজ রাবণের পুত্র ইন্দ্রজিতের (মেঘনাদের) সেনাপতি পদে অভিষেকের কথা।

২৮. ইন্দ্রজিতের রথের বর্ণনা দাও।
উত্তর: মেঘবর্ণ রথ, যার চাকায় বিজলির ছটা, পতাকা রামধনুর মতো বর্ণাঢ্য।

২৯. ইন্দ্রজিৎ কার্তিকের মতো সাজলেন—কী কাজের জন্য?
উত্তর: তারকাসুর বধের জন্য।

৩০. অর্জুনকে ‘কিরীটি’ বলা হয় কেন?
উত্তর: দেবরাজ ইন্দ্রের দেওয়া কিরীট বা মুকুট তিনি পরতেন বলে।

৩১. ‘তাজ কি কিঙ্করীরে আজি?’—’কিঙ্করী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সেবিকা বা দাসী।

৩২. ‘কনক-লঙ্কার দশা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বীরবাহুর মৃত্যু এবং রাবণের সসৈন্যে যুদ্ধযাত্রার মাধ্যমে লঙ্কার শোচনীয় অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।

৩৩. ‘মায়াবী মানব’ বলতে কাকে চিহ্নিত করা হয়েছে?
উত্তর: রামচন্দ্রকে।

৩৪. ইন্দ্রজিতের রথের ঘোরতর রবকে কবি কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: সোনার পাখা মেলা বিশাল মৈনাক পর্বতের সাথে।

৩৫. ভগবতীর অপর নাম কী?
উত্তর: লক্ষ্মী।

৩৬. বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ শুনে মেঘনাদের রোষের কী বহিঃপ্রকাশ ঘটে?
উত্তর: তিনি রোষে কুসুমের মালা ছিঁড়ে ফেলেন এবং সোনার আভরণ ছুড়ে ফেলে নিজেকে ধিক্কার দেন।

৩৭. ‘অভিষেক’ কবিতাংশটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ থেকে।

৩৮. ‘অভিষেক’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: রাজার সিংহাসনে আরোহণের সময়ের বিশেষ ধর্মানুষ্ঠান।

৩৯. প্রমীলার ইন্দ্রজিতের হাত ধরা কবি কিসের সাথে তুলনা করেছেন?
উত্তর: স্বর্ণলতা যেভাবে বড়ো বৃক্ষকে জড়িয়ে ধরে, সেইরকম।

৪০. ‘নিকুম্ভিলা যজ্ঞ’ কী?
উত্তর: ইন্দ্রজিতের একটি বিশেষ যজ্ঞ, যা সাঙ্গ করলে তিনি অজেয় হয়ে যুদ্ধে নামতেন।

৪১. রঘুবরকে ইন্দ্রজিৎ কখন সংহার করেছিলেন বলে জানালেন?
উত্তর: রাত্রিকালীন যুদ্ধে।

৪২. ‘কালসমরে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ঘোরতর যুদ্ধ বা মহাসমর।

৪৩. ‘বৃহন্নলারূপী কিরীটি’ কে?
উত্তর: ছদ্মবেশী অর্জুন।

৪৪. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর মোট সর্গ সংখ্যা কয়টি?
উত্তর: নয়টি।

৪৫. ইন্দ্রজিৎ কাকে বধ করতে লঙ্কায় যাত্রা করছেন?
উত্তর: রামচন্দ্রকে।

৪৬. ‘বৈরিদল বেড়ে স্বর্ণলঙ্কা’—’বৈরিদল’ কারা?
উত্তর: রামচন্দ্রের নেতৃত্বাধীন বানরসৈন্য বা শত্রুপক্ষ।

৪৭. ‘এ অদ্ভুত বারতা’—বার্তাটি কী এবং তা অদ্ভুত কেন?
উত্তর: বার্তাটি হলো রামের হাতে বীরবাহুর মৃত্যু। ইন্দ্রজিতের ধারণা ছিল তিনি রামকে বধ করেছেন, তাই রামের হাতে বীরবাহুর মৃত্যু সংবাদ অদ্ভুত লাগে।

৪৮. ‘নাদিলা কর্পূরদল’—’কর্পূরদল’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: রাক্ষসদলকে।

৪৯. প্রমীলা কেন নিজেকে ‘কিঙ্করী’ বললেন?
উত্তর: স্বামীর সেবা করতে না পারার বেদনা থেকে।

৫০. ‘ঘুচাব এ অপবাদ’—অপবাদটি কী?
উত্তর: জাতি ও পরিবারের সংকটকালে প্রমোদে মগ্ন থাকার অপবাদ।

আরও পড়ুন👇

গল্প

জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী

বহুরূপী (গল্প) সুবোধ ঘোষ

পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল

কবিতা

অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা

আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ

আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলা

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী

সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল

মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু

মাধ্যমিক বাংলা নাটক

সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ

কোনি (সহায়ক পাঠ) মতি নন্দী

3 thoughts on “অভিষেক (কবিতা) – মধুসূদন দত্ত SAQ”

Leave a Reply